Sterculia colorata — এটি একটি বিশাল ও দৃষ্টিনন্দন ফুলগাছ, যা এর উজ্জ্বল লাল-কমলা ফুলের কারণে খুব সহজেই নজর কাড়ে। এটি ভারত, বাংলাদেশসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে পাওয়া যায়।
🌳 Sterculia colorata – পরিচিতি
| বৈশিষ্ট্য | বিবরণ |
|---|---|
| বৈজ্ঞানিক নাম | Sterculia colorata |
| বাংলা নাম | দুধিচি, রক্তচূড়া (কিছু এলাকায়) |
| পরিবার | Malvaceae (আগে ছিল Sterculiaceae) |
| জাতীয় নাম | Scarlet Sterculia, Indian Almond, Painted Sterculia |
| গাছের ধরন | পাতাঝরা মাঝারি থেকে বড় আকৃতির বৃক্ষ |
| উৎপত্তিস্থান | ভারত, বাংলাদেশ, নেপাল, মিয়ানমার ও থাইল্যান্ড |
🌺 বৈশিষ্ট্য
-
উচ্চতা ১০–২০ মিটার পর্যন্ত হতে পারে।
-
পাতা বড় ও হাতের তালুর মতো (পামেটলি লোবড)।
-
ফুল বসন্তকালে (ফেব্রুয়ারি–এপ্রিল) ফোটে, উজ্জ্বল লাল-কমলা, দেখতে অনেকটা শিখার মতো।
-
ফুল পাতার আগেই ফুটে, ফলে গাছটি একেবারে লাল-কমলা হয়ে যায়।
-
ফল চ্যাপ্টা ও পত্রাকৃতির ক্যাপসুল।
🌿 পরিবেশ ও যত্ন
| বিষয় | প্রয়োজন |
|---|---|
| আলো | পূর্ণ সূর্য দরকার |
| মাটি | যেকোনো সাধারণ বেলে-দোআঁশ মাটি |
| জল দেওয়া | নতুন গাছ হলে নিয়মিত পানি দিতে হয়; বড় গাছে কম যত্নে চলে |
| তাপমাত্রা | গরম ও শুষ্ক পরিবেশে ভালো জন্মে |
| সার | বছরে ২ বার জৈব সার বা ভারসাম্যযুক্ত এনপিকে (NPK) প্রয়োগ করা যেতে পারে |
🌾 বংশবৃদ্ধি (Propagation)
-
সাধারণত বীজ দ্বারা বংশবৃদ্ধি করা হয়।
-
বীজ সংগ্রহের পর ২৪ ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে লাগালে অঙ্কুরোদগম ভালো হয়।
🌳 ব্যবহার ও গুরুত্ব
-
সৌন্দর্য: রাস্তার ধারে, বাগানে অথবা ল্যান্ডস্কেপিং-এ শোভা বৃদ্ধির জন্য লাগানো হয়।
-
ঔষধি গুণ: এর ছাল ও অন্যান্য অংশ আয়ুর্বেদিক ও লোকচিকিৎসায় ব্যবহৃত হয় (বিশেষত ডায়রিয়া ও জ্বরের জন্য)।
-
পরিবেশগত গুরুত্ব: পরাগায়নের জন্য মৌমাছিদের আকর্ষণ করে, যা বন্যপ্রাণীর জন্যও উপকারী।
⚠️ সতর্কতা
-
পাতা ও ফলের কিছু অংশ বিষাক্ত হতে পারে যদি অনিয়ন্ত্রিতভাবে খাওয়া হয়।
-
এটি একটি বড় গাছ, তাই টবে চাষ উপযোগী নয়।
📸 ফুল ফোটার সময় এই গাছ দেখতে কেমন?
একটি পাতাহীন ডাল ভর্তি থাকে আগুনরঙা ফুলে — অনেকটা শিমুল গাছের মতো চমকপ্রদ, তবে গঠন ও পাপড়ির গঠন একটু আলাদা।












